দারুণ এক অভিযান


দারুণ এক অভিযান

       
প্রাণীরা হবে আপনার যুদ্ধ সঙ্গীপ্রাণীরা হবে আপনার যুদ্ধ সঙ্গীমা ঈশ্বরীর মৃত্যুর আগের শেষ ইচ্ছা পূরণের উদ্দেশ্যে অজয় ঘাল তার মায়ের দেহভস্ম নিয়ে তার জন্মভূমি কিরাতে ফিরে গেল। কিন্তু কিরাতে প্রবেশের মুখেই হঠাৎ রাজার সেনাদের তাণ্ডবের শিকার হলো সে। তাদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ শুধু অজয়কেই হতভম্ব করেনি কিরাতের মতো স্বর্গেরও যে এমন অভিশপ্ত একটা দিক থাকতে পারে, সেটা কোনো মানুষের পক্ষেও কল্পনা করা অসম্ভব। ঘটনার একফাঁকে নাটের গুরু পেগান মিনের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হবে। কিরাতকে এই অত্যাচারী রাজা পেগান মিন, অজয়কে মেরে অজ্ঞান করে তাকে তার দুর্গে নিয়ে যাবে। জ্ঞান ফেরার পর, আতিথেয়তার একফাঁকে রাজা অজয়কে জানাবে তার সঙ্গে তার মা ঈশ্বরীর আবেগপূর্ণ সম্পর্কের কথা। এমন কাহিনির আবর্তেই অ্যাকশন অ্যাডভেঞ্চারধর্মী ফার ক্রাই-৪ গেমটি।
ইউবিসফট মন্ট্রেয়ালের তৈরি গেমটি চাইলেই উইন্ডোজ প্ল্যাটফর্ম, প্লে-স্টেশন ৩-৪, এক্সবক্স ১ ও ৩৬০–এ খেলতে পারবেন। গল্পের একপর্যায়ে মিনের অনুপস্থিতির সুযোগে অজয় দুর্গ থেকে পালানোর চেষ্টা করবে, কিন্তু গোল্ডেন পাথ নামের এক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে রয়্যাল আর্মির চলা লড়াইয়ের মাঝখানে আটকা পড়বে সে। এই এনকাউন্টারের মাঝেই সাবাল নামের এক যোদ্ধার সঙ্গে পরিচয় হবে তার। সেখানেই সে জানতে পারবে এই গোল্ডেন পাথের প্রতিষ্ঠাতা হলো তার বাবা মোহান ঘাল। দিশেহারা অজয় তখন কোনো উপায় না দেখে সাবালের সঙ্গে পালিয়ে যাবে। অনেক চড়াই-উতরাই পাড়ি দেওয়ার পরও যে কাজের জন্য এই কিরাতে আসা, সেটার কী হবে তাহলে? যে লাক্সমানার খোঁজে এত দূর আসা, তার খবরই নাকি কেউ জানে না! তবে অজয় কি পারবে তার উদ্দেশ্য সফল করতে? জানতে হলে গেমটি আপনাকে খেলতেই হবে।
গেমে কিরাতের রহস্যময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনাকে আঁকড়ে ধরবে আর যদি অ্যাডভেঞ্চারের নেশায় পেয়ে বসে, তাহলে তো কথাই নেই। কখনো বন্দুক হাতে শিকারে তো কখনো আবার কিরাতের রহস্যময় ইতিহাস জানতে ছুটে চলা এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে। গেমের স্কিল আপগ্রেড সিস্টেমটা দারুণ করেছে, একদিকে দ্য টাইগার ট্রি, যেটি মূলত স্টেলথ ও স্ট্রাইকিং ক্যাপাসিটির জন্য সাজানো এবং অন্যদিকে দ্য এলিফেন্ট ট্রিকে স্ট্রেন্থ ও টাফনেসের জন্য সাজানো হয়েছে। গেমটির মিশনগুলোকে আগের সিরিজের থেকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। প্রধান মিশনগুলোর সঙ্গে আছে অসাধারণ সব সাইড মিশন। কিরাতের অভ্যন্তরীণ মিশন এবং দুই হিমালয় মিশন মিলে হিমালয়ের মিশনের সংখ্যা খুব বেশি না হলেও একেবারে কম নয় আর একটা মিশন আরেকটা মিশনের চেয়েও দারুণ। অন্যদিকে, কিরাতের অভ্যন্তরীণ মিশনগুলোর মধ্যে মাঝারি ও খুব ভালো সব ধরনের মিশনই বিদ্যমান। তবে সবকিছু ছাপিয়ে অসাধারণ সব ঐতিহাসিক জায়গা আর দুর্দান্ত অভিযান আপনাকে এমনভাবেই টেনে ধরে রাখবে যে দুর্বলতাগুলোকে সহজেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

খেলতে যা লাগবে

প্রসেসর: ইন্টেল কোর আই-৫ ২.৫ গিগাহার্টজ অথবা এএমডি এফএক্স-৮৩৫০ ৪ গিগাহার্টজ

গ্রাফিকস কার্ড: এনভিডিয়া জিফোর্স জিটিএক্স ৬৮০ অথবা এএমডি রেডিয়ন আর ৯ ২৯০ এক্স (২ গিগাবাইট র্যাম)

র্যাম: ৮ গিগাবাইট

ডাইরেক্ট এক্স : ১১

হার্ডডিস্ক ড্রাইভ: ৩০ গিগাবাইট ফাঁকা


দারুণ এক অভিযান

       
প্রাণীরা হবে আপনার যুদ্ধ সঙ্গীপ্রাণীরা হবে আপনার যুদ্ধ সঙ্গীমা ঈশ্বরীর মৃত্যুর আগের শেষ ইচ্ছা পূরণের উদ্দেশ্যে অজয় ঘাল তার মায়ের দেহভস্ম নিয়ে তার জন্মভূমি কিরাতে ফিরে গেল। কিন্তু কিরাতে প্রবেশের মুখেই হঠাৎ রাজার সেনাদের তাণ্ডবের শিকার হলো সে। তাদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ শুধু অজয়কেই হতভম্ব করেনি কিরাতের মতো স্বর্গেরও যে এমন অভিশপ্ত একটা দিক থাকতে পারে, সেটা কোনো মানুষের পক্ষেও কল্পনা করা অসম্ভব। ঘটনার একফাঁকে নাটের গুরু পেগান মিনের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হবে। কিরাতকে এই অত্যাচারী রাজা পেগান মিন, অজয়কে মেরে অজ্ঞান করে তাকে তার দুর্গে নিয়ে যাবে। জ্ঞান ফেরার পর, আতিথেয়তার একফাঁকে রাজা অজয়কে জানাবে তার সঙ্গে তার মা ঈশ্বরীর আবেগপূর্ণ সম্পর্কের কথা। এমন কাহিনির আবর্তেই অ্যাকশন অ্যাডভেঞ্চারধর্মী ফার ক্রাই-৪ গেমটি।
ইউবিসফট মন্ট্রেয়ালের তৈরি গেমটি চাইলেই উইন্ডোজ প্ল্যাটফর্ম, প্লে-স্টেশন ৩-৪, এক্সবক্স ১ ও ৩৬০–এ খেলতে পারবেন। গল্পের একপর্যায়ে মিনের অনুপস্থিতির সুযোগে অজয় দুর্গ থেকে পালানোর চেষ্টা করবে, কিন্তু গোল্ডেন পাথ নামের এক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে রয়্যাল আর্মির চলা লড়াইয়ের মাঝখানে আটকা পড়বে সে। এই এনকাউন্টারের মাঝেই সাবাল নামের এক যোদ্ধার সঙ্গে পরিচয় হবে তার। সেখানেই সে জানতে পারবে এই গোল্ডেন পাথের প্রতিষ্ঠাতা হলো তার বাবা মোহান ঘাল। দিশেহারা অজয় তখন কোনো উপায় না দেখে সাবালের সঙ্গে পালিয়ে যাবে। অনেক চড়াই-উতরাই পাড়ি দেওয়ার পরও যে কাজের জন্য এই কিরাতে আসা, সেটার কী হবে তাহলে? যে লাক্সমানার খোঁজে এত দূর আসা, তার খবরই নাকি কেউ জানে না! তবে অজয় কি পারবে তার উদ্দেশ্য সফল করতে? জানতে হলে গেমটি আপনাকে খেলতেই হবে।
গেমে কিরাতের রহস্যময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনাকে আঁকড়ে ধরবে আর যদি অ্যাডভেঞ্চারের নেশায় পেয়ে বসে, তাহলে তো কথাই নেই। কখনো বন্দুক হাতে শিকারে তো কখনো আবার কিরাতের রহস্যময় ইতিহাস জানতে ছুটে চলা এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে। গেমের স্কিল আপগ্রেড সিস্টেমটা দারুণ করেছে, একদিকে দ্য টাইগার ট্রি, যেটি মূলত স্টেলথ ও স্ট্রাইকিং ক্যাপাসিটির জন্য সাজানো এবং অন্যদিকে দ্য এলিফেন্ট ট্রিকে স্ট্রেন্থ ও টাফনেসের জন্য সাজানো হয়েছে। গেমটির মিশনগুলোকে আগের সিরিজের থেকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। প্রধান মিশনগুলোর সঙ্গে আছে অসাধারণ সব সাইড মিশন। কিরাতের অভ্যন্তরীণ মিশন এবং দুই হিমালয় মিশন মিলে হিমালয়ের মিশনের সংখ্যা খুব বেশি না হলেও একেবারে কম নয় আর একটা মিশন আরেকটা মিশনের চেয়েও দারুণ। অন্যদিকে, কিরাতের অভ্যন্তরীণ মিশনগুলোর মধ্যে মাঝারি ও খুব ভালো সব ধরনের মিশনই বিদ্যমান। তবে সবকিছু ছাপিয়ে অসাধারণ সব ঐতিহাসিক জায়গা আর দুর্দান্ত অভিযান আপনাকে এমনভাবেই টেনে ধরে রাখবে যে দুর্বলতাগুলোকে সহজেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

খেলতে যা লাগবে

প্রসেসর: ইন্টেল কোর আই-৫ ২.৫ গিগাহার্টজ অথবা এএমডি এফএক্স-৮৩৫০ ৪ গিগাহার্টজ

গ্রাফিকস কার্ড: এনভিডিয়া জিফোর্স জিটিএক্স ৬৮০ অথবা এএমডি রেডিয়ন আর ৯ ২৯০ এক্স (২ গিগাবাইট র্যাম)

র্যাম: ৮ গিগাবাইট

ডাইরেক্ট এক্স : ১১

হার্ডডিস্ক ড্রাইভ: ৩০ গিগাবাইট ফাঁকা

Author:

no image
Next
Newer Post
Previous
This is the last post.